জ্বালানি খাতে তালিকাভুক্ত এমজেএল বাংলাদেশ পিএলসির সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে মুনাফা বেড়েছে ৩০ শতাংশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটি বিনিয়োগকারীদের জন্য ৫২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে। কোম্পানিটির আর্থিক প্রতিবেদন সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।
প্রতিবেদন অনুসারে সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে এমজেএল বাংলাদেশের শেয়ারপ্রতি সমন্বিত আয় (ইপিএস) হয়েছে ১১ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৮৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৫৪ টাকা ৬ পয়সায়।
এদিকে ঘোষিত লভ্যাংশ ও অন্যান্য এজেন্ডায় বিনিয়োগকারীদের অনুমোদন নিতে আগামী ২২ ডিসেম্বর বেলা ১১টায় ডিজিটাল প্লাটফর্মে বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) আহ্বান করেছে কোম্পানিটির পর্ষদ। এ-সংক্রান্ত রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ১৭ নভেম্বর।
সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এমজেএল বাংলাদেশের পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৭১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৮ টাকা ৭৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৮ টাকা ৩ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরের বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এমজেএল বাংলাদেশের ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ৭৩ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৩৬ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪৪ টাকা ২৭ পয়সায়।
সমাপ্ত ২০২১-২২ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৫০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে এমজেএল বাংলাদেশ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটির ইপিএস হয়েছে ৬ টাকা ৩৬ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। ৩০ জুন ২০২২ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৪০ টাকা ৫৫ পয়সায়।
এমজেএল বাংলাদেশ মূলত ইস্টকোস্ট গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান ইসি সিকিউরিটিজ ও রাষ্ট্রায়ত্ত যমুনা অয়েল কোম্পানি লিমিটেডের যৌথ উদ্যোগ। এমজেএল বাংলাদেশ শিল্প ও যানবাহনে ব্যবহৃত লুব্রিক্যান্টস অয়েল ও গ্রিজ সরবরাহ করে। তাছাড়া অয়েল ট্যাংকার ও অঙ্গপ্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এলপিজি ও সিলিন্ডারের ব্যবসাও রয়েছে এমজেএল বাংলাদেশের।
২০১১ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এমজেএল বাংলাদেশের অনুমোদিত মূলধন ১ হাজার কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩১৬ কোটি ৭৫ লাখ ২০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ১ হাজার ২ কোটি ১৪ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩১ কোটি ৬৭ লাখ ৫২ হাজার ২৭। এর ৭১ দশমিক ৫২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২০ দশমিক ৯৯, বিদেশী বিনিয়োগকারী দশমিক ৯৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৬ দশমিক ৫০ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।